যে বয়সের সেক্স বেশি উপভোগ্য
ঢাকা-মহিলাদের বয়স যখন তিরিশের ঘরে এবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে তখন তাঁরা কম বয়সের তুলনায় সেক্স বেশি উপভোগ করেন। কারণ, তাঁদের মনে আশঙ্কা থাকে যৌনজীবন শেষ হওয়ার। এমনটাই জানা যাচ্ছে সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা থেকে। সমীক্ষা থেকে জানা যাচ্ছে, মহিলাদের বয়স যখন তিরিশের ঘরে lএবং চল্লিশের ঘরের প্রথম দিকে থাকে তখন তাঁদের যৌনক্ষমতা ক্রমশ কমতে থাকে । আর সেই কারণেই তাঁদের মনে ভয় আসতে থাকে।তখনই তাঁরা সেক্স বেশি করতে থাকেন। তাঁরা এই বয়সে সেক্স নিয়ে অনেক কল্পনা করতে থাকেন। আর সেই কারনেই জন্ম নেয় ‘কাউগার’ সিমটম- একজন মহিলা তখন তাঁর থেকে কমবয়সী সহযোগীর খোঁজ করেন।প্রায় ৯০০ জন মহিলার ওপর সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসছে হেলথ জার্ণালমেয়েদের যৌনতা নিয়ে কিছু তথ্যছেলেরা মেয়েদের যৌনতা নিয়ে খুব কম তথ্য জানে। চটিগুলো পড়লে সেটা বোঝা যায়। চটি লেখক এবং মন্তব্যকারীদের অনেকে মেয়েদের সাথে যৌনকর্ম দুরের কথা কোনদিন মেয়েদের বাস্তব যৌনাংগ দেখেছে কি না সন্দেহ। মেয়েদের সমন্ধে ওনাদের জ্ঞান মনে হয় পর্ন আর ইন্টারনেটের চটি থেকে নেওয়া। যাহোক সবার সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিলামঃ১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়।
২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্ম চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।
৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে, মেয়েদের অর্গ্যাজমে কোন মাল বের হয় না। তবে পেটে প্রস্রাব থাকলে উত্তেজনায় বের হয়ে যেতে পারে।
৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই।
৬. যৌনি পথে পুরুষ লিংজ্ঞ ঢুকালে মেয়েরা মজা পায় ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।
৭. লম্বা লিংজ্ঞের চেয়ে মোটা লিংজ্ঞে মজা বেশী। লম্বা লিংজ্ঞে বেশীরভাগ মেয়ে ব্যাথা পায়।
৮. মেয়েদের যৌনিতে সামান্য ভেতরেই খাজ কাটা গ্রুভ থাকে, লিংজ্ঞের নাড়াচাড়ায় ঐসব খাজ থেকে মজা তৈরী হয়। এজন্য বড় লিংজ্ঞের দরকার হয় না
পুরুষদের পছন্দ দুষ্টু মেয়ে, কিন্তু কেন!
প্রেম, ভালোলাগা কিংবা মন্দ লাগা মানুষ মনের ভেতর বিভিন্নভাবে অনুভব করে। প্রতিটা মানুষ স্বতন্ত্র বৈশিষ্টের অধিকারী। সুতরাং একজনের যা অসাধারণ সৌন্দর্য্যমণ্ডিত সেটা অন্য জনের কাছে নাও হতে পারে। তারপরেও গড়পড়তা বলে একটা ব্যাপারতো থেকেই যায়। চলুন আজ সিম্পল একটা বিষয় ‘পুরুষ কেন দুষ্টু প্রকৃতির মেয়ে পছন্দ করে’ নিয়ে আলোচনা করলে কেমন হয়! নিশ্চয়ই পুরুষদের কাছ থেকে পরস্পর বিরোধী নানারকম তথ্য পাওয়া যাবে।ওকে! আলোচনার আগে আপনাকে একটু খেই ধরিয়ে দেই, আপনি কি জানেন! গুডি গুডি টাইপ মেয়েরা শুধু স্বর্গে যেতে পারে আর দুষ্টু প্রকৃতির মেয়েরা সবখানে যেতে পারে। এখানেই লুকিয়ে থাকতে পারে কোনো রহস্য। এবার তবে সেই কারণগুলো মন থেকে উগড়ে দিন। অতলষ্পর্শীকে আবিস্কার করার নেশাতুর আগ্রহ তো সবারই অদম্য। জানিয়ে দিন তবে রহস্যটা কি!
কোনো একটা অজানা কারণে পুরুষেরা দুষ্টু প্রকৃতির মেয়েদের পছন্দ করে থাকে। ব্যাপার টা আসলে সেই আবিস্কার হেতু! পুরুষের এই দুষ্টু মেয়ে কেন্দ্রীক ব্যাপার স্যাপার নিয়ে সম্প্রতি জরিপ কাজ পরিচালনা করেছে জি নিউজ। পুরুষদের কাছ থেকে পাওয়া নানা রকম তথ্য খণ্ডিয়ে গড়পড়তা ছয়টি কারণকে উল্লেখযোগ্য বলে ধারণা করা হয়েছে। চলুন চোখ রাখি।
সম্পর্কের গভীরতা চেয়ে ব্যস্ত হননা: দুষ্টু প্রকৃতির মেয়েরা একটু সতন্ত্র ও স্বাধীনচেতা হয়ে থাকে আর সেকারণেই তারা দীর্ঘকালীন একটি সম্পর্কে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখতে চায়না। সম্পর্কের গভীরতার বিষয়টি তাদের কাছে গৌণ। বাবা-মায়ের মাথার বোঝা হয়ে থাকতে নারাজ ওই মেয়েরা পুরুষের নোংরা মানসিকতাকে হেলায় ঠেলে দিতে কখনো পিছপা হয়না। পুরুষরা মেয়েদের বোল্ড মাইন্ড পছন্দ করে।
আকর্ষণীয় পোশাক: দুষ্টু প্রকৃতির মেয়েরা তাদের নিজস্ব স্বভাব গুণেই পুরুষদের চোখে নিজেদের আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। উল্লেখযোগ্য কারণ হলো পোশাক পরিচ্ছদ। তারা নিঃর্দ্বিধায় পুরুষদের চোখে আকর্ষণীয় সব উদ্দীপক পোশাক পড়তে পারে। পুরুষদের চোখে হাই হিল, সর্ট স্কার্ট ও সিস্নভলেস পোশাকের থেকে আকর্ষণীয় তো কিছু হতে পারে না।
অসাধারণ সেন্স অব হিউমার: পুরুষদের আসরে জুসি ল্যঙ্গোয়েজ আর ডার্টি জোকস্ থাকবেনা সেটা কি ভাবা যায়! এই পরিস্থিতিতে দুষ্টু প্রকৃতির মেয়েদের অসাধারণ সেন্স অব হিউমার প্রকাশ পায়। হাস্যরসের খানিকটা তাদেরও তো জানা। সুতরাং পাল্টা জুসি ল্যাঙ্গোয়েজ দিয়ে তারাও আসর জমাতে সক্ষম। নিজেকে যে কোনো পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার ক্ষমতা তাদের মধ্যে দুর্দান্ত।
এটা দরকার, এটা চাই: দুষ্টু প্রকৃতির মেয়েরা কখনোই বলবে না মিউজিকটা উচ্চস্বরে হয়েছে, ক্ষুধা লেগেছে অথবা তাদের ঠাণ্ডা কিংবা গরম লাগছে। তারা কথা বলে অথবা ব্যাখ্যা দিয়ে সময় নষ্ট করতে পছন্দ করেন না। তারা উঠবে- রেডিওটা বন্ধ করবে, নিজের জন্য স্যান্ডউইচের ব্যবস্থা করবে, হ্যাঙ্গার থেকে নিজের জন্য জ্যাকেট নামিয়ে নেবে।
চিন্তাশীলতায় সমমনা: দুষ্টু প্রকৃতির মেয়েরা মানসিক দিক দদিয়ে পুরুষের অনেক কাছাকাছি চলে আসতে পারে। তারা পুরুষের প্রতিপক্ষ হতে পছন্দ করেন না। পুরুষরাও তাদের সঙ্গে নিজের মানসিকতাকে সম্পৃক্ত করতে অনেক সহজবোধ করেন। পুরুষরা তাদের কেবলমাত্র ভালোবাসার উপাদান হিসেবে নয় প্রকৃত বন্ধু হিসেবে পায়।
স্ত্রী হিসেবে অনন্য: বেশির ভাগ পুরুষের কাছে দুষ্টু মেয়েরা স্ত্রী হিসেবে বিছানাতেও খুব দুষ্টু হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। স্বামী-স্ত্রী দুজনের একান্ত সময়কে গুণগত মানসম্পন্ন করে তুলতে দুষ্টু প্রকৃতির মেয়ে কখনো কুন্ঠিত কিংবা লজ্জিত হন না।
স্বপ্নদোষ কি ?
বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়।
১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।
স্বপ্নদোষের মাত্রা
স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।
স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।
যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।
মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।
স্পারম্যাটোরিয়া
১৮ ও ১৯ শতকে, যদি একজন রোগীর ঘনঘন অনৈচ্ছিক বীর্যপাত হতো কিংবা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণ বীর্য বের হতো তখন তার রোগ নির্ণয় করা হতো স্পারম্যাটোরিয়া বা ‘ধাতুদৌর্বল্য’ বলে। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ এবং অন্যান্য চিকিৎসা যেমনন্ধ খৎনা করার পরামর্শ দেয়া হতো। বর্তমানে কিছু হার্বাল ওষুধ দিয়ে অনেকেই এর চিকিৎসা করলেও তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
প্রচলিত ধারণা
অনেক রোগী স্বপ্নদোষ হওয়াকে মারাত্মক রোগ বলে মনে করেন। তাদের ধারণা, যৌবনে এটা একটা প্রধান যৌন সম্পর্কিত রোগ। কেউ কেউ নানা ধরনের চিকিৎসা করানন্ধ এমনকি স্বপ্নদোষ ও হস্তমৈথুনের জন্য প্রচলিত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করান। এদের অজ্ঞতার সুযোগ নেন অনেকে। স্বপ্নদোষকে ভয়াবহ রোগ হিসেবে অভিহিত করে রোগীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।
যে ৫টি কারণে মেয়েরা ব্রেক আপে যায়
আপনার ব্যবহারের কারণেই আপনার বান্ধবী ব্রেক আপের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কাজেই দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কে জড়াতে চাইলে কয়েকটি বিষয়ের ওপর আলাদা করে আপনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।সবকিছু চাপিয়ে দেওয়া: আপনার স্বভাব যদি হয়, সবকিছু প্রেমিকার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার। তাহলে সে স্বভাব সময় থাকতে বদলে ফেলুন। প্রেমিকার ওপর সবসময় আপনার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না। তাকে তার মতো করে ভাবতে দিন। নয়লে কখনো যদি মনে হয়, আপনার সঙ্গে সময় কাটাতে তার দম বন্ধ হয়ে আসে। তাহলে সে ব্রেক আপে যাওয়াই শ্রেয় মনে করবে।
সবসময় আঠার মতো লেগে থাকা: সব সময় তার ওপর নজরদারি করবেন না। আপনার অতিমাত্রার সিরিয়াসনেস আসলে অতিমাত্রায় বিরক্তিকর হয়ে উঠতে পারে। ঘন ঘন ফোন দেওয়া। সবকিছুর কারণ জানতে চাওয়া, এসব বদ অভ্যাস ত্যাগ করুন।
অতি নির্ভরশীল হওয়া: আপনি আপনার প্রেমিকার ওপর অতি নির্ভরশীল হলে জেনে রাখুন, অতি নির্ভরশীল ছেলেদের মেয়েরা পছন্দ করে না। সম্পর্কের শুরুতে হয়ত ঠিক আছে। কিন্তু আস্তে আস্তে তাকে বোঝাতে হবে যে আপনি আত্মবিশ্বাসী। যে কোন বিপদে প্রেমিকার পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আপনার আছে।
অতৃপ্ত যৌন জীবন: সারাদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে যান। প্রিয়তম স্ত্রীর সাথে হালকা-পাতলা খুনসুটি করেই আপনি ক্লান্ত। অথবা আপনাদের যৌন জীবনে আপনার আগ্রহ একেবারেই কম। তাছাড়া স্ত্রীও এসব বলতে চায় না। এক্ষেত্রে এই একাকীত্ব মেনে নেওয়া মেয়েদের পক্ষে অসম্ভব। প্রেম-ভালবাসার কমতি মেয়েরা মেনে নিতে পারে না।
পরস্ত্রীকাতর: আপনি যদি পরস্ত্রী কাতর হন, তাহলে আপনার সম্পর্কে বেশিদিন দীর্ঘস্থায়ী হবে এমন আশা করা ভুল। আপনি আপনার বান্ধবীর কাছে অন্য মেয়েদের প্রশংসা বেশি করবেন না। বন্ধুর স্ত্রীদের তো নাই।
শুধু সহবাস , বিয়ে নয়
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ইত্যাদি মার্কা হেডলাইন খবরের কাগজে প্রায়ই চোখে পড়ে। তাই বিয়ে নয় সহবাসে সাধটুকু মেটাতে রাজি সিমি। বিয়েটা তার কাছে আদৌ কোনও সম্পর্ক নয় বরং সামাজিক চাপ। এই চাপ নিতে সে রাজি নয়। সম্পর্ক বা ইচ্ছে মেটানোর জন্য কোনও ধরনের স্বীকৃতিরই প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না তার কাছে?
জোর করে চাপিয়ে দিয়ে তো কিছু হয় না। বয়স অনু্যায়ী প্রতেকের একটা সেক্সুয়াল চাহিদা আছে। সেটা মেটানোর জন্য বিয়ে কেন করতে হবে? বিয়ে মানেই তো হাজারও জটিলতা, কমিটমেন্ট। মন তার ইচ্ছে অনু্যায়ী বদলায়। তাই বিয়ে বা লিভ ইনের কমিটমেন্ট মানে একটা অনিশ্চয়তা। তার চেয়ে পছন্দের মানুষের সঙ্গে শুধু সহবাসের সম্পর্ক অনেক বেটার। অন্তত ঝামেলা ছাড়াই ভাল মতো বাঁচা যায়।
জন্ম-মৃত্যু আর বিয়ে নাকি ওপর থেকে নির্ধারিত। ঈশ্বর বিবাহের সুতো যার সঙ্গে ঠিক করে রেখেছেন, তবেই তার সঙ্গে হবে। এ নিয়ে অযথা মাথার চুল ছিঁড়ে কোনও লাভ নেই।
যেদিন থেকে মানুষ-সমাজ বুঝেছে, বিবাহ নিয়ে তাই মাতামাতি কাণ্ড শুরু করেছে। প্রাচীন যুগে নাকি বিবাহযোগ্য তরুণরা ডাবল বেডের খাট অর্ধেক করে বিবাহ ইচ্ছা জানান দিত। একবিংশ শতকে নারী যখন লজ্জাকে আবরণ থেকে আভরণে পরিণত করেছে, তখন নিজেরাই প্রেমিক নির্ধারণ করে পরিবারের সামনে পেশ করতে শুরু করেছে।
যতই অপসংস্কৃতিবান বলে এই জেনারেশনকে অপবাদ দেওয়া হোক, এই একটি ব্যাপারে কিন্তু সারমর্ম বুঝে নিয়েছে এই আধুনিক তরুণ তরুণীরা। সে কারণেই বিয়ে নয়, বরং ‘ইয়ে’ নিয়েই বেশি মাথাব্যথা তাদের। সময় হলে বিয়েটাও নিশ্চয় হবে, তাই বয়স পেরিয়ে গেলেও কবে বিয়ে হচ্ছে, সে প্রশ্নে যথেষ্ট বিরক্ত আধুনিক প্রজন্ম। কারণ, বিয়ের মাধ্যমে শরীর শরীর খেলার সামাজিক স্বীকৃতির প্রতি এত নির্লিপ্ত এ নব্য প্রজন্ম যে, বিয়ের আশপাশে ধরা দিতে তারা রাজি নয়।
সম্পর্ক নিয়ে কোনও দ্বিচারিতা নয়। বরং বদলে যাওয়া আধুনিকমনস্কতা যে সাবালকত্ব দিয়েছে, তাতে নিজেরটুকু বুঝে নেওয়ার সিদ্ধান্তই নিতে চাচ্ছে তারা।
বলছি না যে, বিয়ের প্রয়োজন নেই। এত বছর ধরে চলে আসা সামাজিক নিয়ম, রীতি সেটা দুম করে আদিম বলা কিংবা ভেঙ্গে ফেলা যাবে না। কিন্তু শুধুমাত্র সেক্সের ছাড় পাওয়ার জন্য বিয়েতে আপত্তি সিমিদের। যারা বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানে নিজেদের মেলাতে চায় না তারা কি শুধুই সন্ন্যাসী হবে? আর সহবাস,শারীরিক সম্পর্ক খুব স্বাভাবিক চাহিদা, তাই সেটার জন্য বিয়ের মতো ঢাকঢোল পেটানোটা বোকামি মনে হয় তাদের কাছে।
এই নব্য প্রজন্মের সিমিরা চায়, বিয়েটা যেমন ব্যক্তির ইচ্ছা-অনিচ্ছার সুতোয় দুলছে, সহবাসের ক্ষেত্রেটাও যেন একই রকম হয়……
সানি লিওনকে ধর্ষণের ভিডিও !
নিজ বাসায় ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন ইন্দো-কানাডিয়ান পর্ণো তারকা সানি লিওন। এ ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ ঘটনাটিকে একটি নাটক হিসেবেই এখন দেখা হচ্ছে। কারণ- ইতিপূর্বে তার করা একটি পর্ণো ছবির চুক্তির ভিত্তিতেই এ ধর্ষণের ঘটনাটি সাজানো ছিল বলে জানা গেছে। তাই এ ঘটনার দৃশ্যটিও সফলভাবে ধারণ করা হয়েছে বলে অসর্থিত একটি সূত্রের বরাতে ভারতীয় কয়েকটি মিডিয়া খবর প্রকাশ করেছে। আর এ ভিডিওটি একটি নতুন পর্ণো ছবিতে সংযুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে। তবে ছবিটির নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। আর সেটিই হবে সানি লিওনের সর্বশেষ পর্ণো ছবি।
এর আগে ৫ অক্টোবর সকালে সানির বাসায় ঢুকে ধর্ষকরা সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে। সম্প্রতি এমনটাই অভিযোগ করেছেন এ অভিনেত্রী। জানা যায়, ওই দিন সকালে সানির বাসায় ঢুকে ধর্ষকরা সানি লিওনকে হাত পা বেঁধে ধর্ষণ করে। সে ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন সানি।
তার অভিযোগের সূত্র ধরে একটি মামলা করার প্রস্তুতিও নেয় হয়েছিল বলেও কয়েকটি নিউজ পোর্টাল খবর প্রকাশ করেছিল। কিন্তু পরে জানাজানি হয়ে গেলে সানি মামলার ঝামেলায় যাননি। কেননা- ধর্ষনকারীরা তখন তাকে তার পূর্বেকার চুক্তির কথা স্বরণ করিয়ে দেন। ঘটনা ক্রমে তিনি আর পর্ণো ছবিতে অভিনয় না করার সিদ্ধান্ত নিলে এ নাটকের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত জিসম২-তে অভিনয়ের পর ভারতে ব্যাপক আলোচনায় আসা সানি লিওনকে এখন আর নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই। আর এরপর একে এক অভিনয় করেন বেশ কিছু ছবিতে। ভারতের চলচ্চিত্রের প্রেমে পড়ে পর্ণো অভিনয়ও ছেড়ে দেন তিনি। এর পর বাধ্য হয়েই পর্ণো ছবির প্রযোজক ওই ধর্ষণ নাটক তৈরি করেন বলে খবরে প্রকাশ।
পর্নো আসক্তি যৌন জীবনপর্নো আসক্তি আধুনিক মানুষের যৌন জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দেয়। শেষ পর্যন্ত সঙ্গীর সাথে মিলনের চাইতে পর্নোগ্রাফিকে বেশি ‘উপভোগ্য’ ভাবতে শুরু করেন। আধুনিক মানুষের অতিরিক্ত পর্নো আসক্তি আবার মানুষের বৈবাহিক ও পারিবারিক সম্পর্ককেও ক্ষতিগ্রস্থ করে।
আধুনিক মানুষের জীবনে পর্নো আসক্তির প্রভাব বুঝতে বৃটেনের নাগরিকদের ওপর একটি পরিসংখ্যান চালানো হয়। ন্যাশনাল সার্ভে অব সেক্স অ্যাটিচিউড এন্ড লাইফস্টাইল শিরোনামের এই পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১০ বছর আগে বৃটেনের মানুষ যে হারে যৌন সংসর্গে লিপ্ত হত, বর্তমানে তার হার ২০ শতাংশ কমে গেছে। পরিসংখ্যানে ১৬ থেকে ৭৪ বছর বয়স্ক ১৫ হাজার ব্যক্তি অংশ নেয়। পরিসংখ্যানে অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই পর্নোগ্রাফি না দেখলে কোন ধরণের যৌন উত্তেজনা বোধ করেন না।
পর্নোগ্রাফিতে আসক্তির ক্ষতি ও প্রভাব সম্পর্কে নারীবাদী লেখক ও সমাজকর্মী নোয়ামী উলফ জানান, কোন সেমিনারে বক্তব্য দেওয়ার পরে বা অটোগ্রাফ নেওয়ার সময় অধিকাংশ বৃটিশ নারীই তাদের সঙ্গীদের তপর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন ও তারা কোথা থেকে সাহায্য পেতে পারে তা জানতে চান। এদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা, কোন ধরণের যৌন উত্তেজনাবোধ করেন না।
নোওমী বলেন, সম্প্রতি তিন সন্তানের এক জননী আমাকে জানায়, বিবাহের পরে তাদের সুখী যৌন জীবন থাকলেও তার স্বামী পর্ণোগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ে। এখন সে তার দিকে ফিরেও তাকায় না। তিনি আরো জানান, এখন তার স্বামী পর্নোগ্রাফি না দেখলে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন না। নোওমীর মতে, দেশটির স্কুলগামীরাও পর্ণোগ্রাফিতে ভয়াবহভাবে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। স্কুলগামীদের অধিকাংশই পর্নোগ্রাফিতে এতটাই আসক্ত যে স্বাভাবিক যৌন জীবন বলতে কিছু একটা যে আছে তা তারা কল্পনাও করতে পারে না।
পর্নোগ্রাফি একদিকে স্বাভাবিক যৌন জীবনকে ক্ষতিগ্রস্থ করে অপরদিকে এর রয়েছে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব। এ প্রসঙ্গে নোয়ামী জানান, পর্নোগ্রাফিতে যেভাবে যৌন সম্পর্কে দৃশ্যায়ন হয়, বাস্তবে সেটা কোনভাবেই সম্ভব নয়। যে কারণে অনেকেই বাস্তবে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেয়ে পর্নোগ্রাফিতে বেশি আসক্ত হন। আর চলচ্চিত্রগুলোতে যৌন জীবনকে অনেক বেশি আগ্রাসীভাবে দেখান হয়, যা দেখে মানুষ উত্তেজিত হয়, কিন্তু বাস্তবে এই আগ্রাসীভাব থাকে না, যে কারণে অনেকেই স্বাভাবিকভাবে উত্তেজিত হন না।
নোয়ামী বলেন,পর্নোগ্রাফি দেখলে মানুষের মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার সক্রিয় হয় ও ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। যা মানুষকে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে ও সুখানুভূতি দেয়। এই স্বল্প সময়ের যৌন উত্তেজনার দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্প মেয়াদী প্রভাব আছে। স্বল্প মেয়াদী প্রভাব হলো, পরবর্তী একই পর্নোগ্রাফি দেখলে আগের মত উত্তেজনা বোধ হয় না। প্রয়োজন হয় আরো আগ্রাসী কিছুর। আরও আগ্রাসী কিছু খুঁজতে খুঁজতে শেষ পর্যন্ত আর কিছুই পাওয়া যায় না। শেষ পর্যন্ত যৌন উত্তেজনা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে।
পর্নোগ্রাফিতে আসক্তরা, তাদের সঙ্গীর প্রতি কম আকর্ষণ বোধ করেন। সঙ্গীদের স্বাভাবিক যৌন আচরণও তাদের যৌনতাকে উত্তেজিত করতে পারে না। এছাড়া, পর্নো আসক্তরা স্বাভাবিকভাবে যৌন উত্তেজিত হতে সময় নিলেও কিন্তু কম্পিউটারের মাউসের একটি ক্লিকেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এই কারণে বৃটেনের পুরুষরা তাদের সঙ্গিনীদের চেয়ে পর্নোগ্রাফি উপভোগ করতে বেশি পছন্দ করে।
দেশটির সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন বৃটেনের সর্বত্রই পর্নোগ্রাফির ছড়াছড়ি। প্রত্যেকের হাতেই ল্যাপটপ ও আইফোন রয়েছে। এছাড়া বৃটেনে পর্নোগ্রাফি বিষয়ক ভিডিও সহজলভ্য। ফলে, দিনকে দিন দেশটির নারী-পুরুষ স্বাভাবিক যৌন জীবন ত্যাগ করে পর্নো আসক্তিতে ভুগছেন। যা সমাজের স্বাভাবিক সম্পর্ককেও নষ্ট করছে।
সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের করা আরো একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে সকল পুরুষ বিবাহিত বা যাদের সম্পর্ক আছে, তাদের অর্ধেকের বেশি পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। আর তাদের এই পর্নোআসক্তি তাদের কাজ ও সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব রাখছে। গবেষণায় দেখা গেছে, বৃটেনের শতকরা ৪৭ ভাগ পুরুষ দিনে ৩০ মিনিট থেকে তিনঘন্টার বেশি সময় পর্নোগ্রাফি দেখে কাটান। যা তাদের কাজের জন্য খুবই ক্ষতিকর। আবার দেশটির পাঁচজনের একজন পুরুষ তাদের সঙ্গীর সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেয়ে পর্নোগ্রাফি দেখাকে অধিক উপভোগ্য মনে করেন।
অপরদিকে পর্নোশিল্পের উদ্যোক্তারাও নিজেদের ব্যবসা বজায় রাখতে দিনকে দিন আরো আগ্রাসী পর্নোগ্রাফি তৈরি করছে। যাতে ব্যবসা বজায় রাখার পাশাপাশি পর্নোশিল্প তাদের ক্রেতাদের ধরে রাখতে পারে।
আমার পরনো দেখলে সাদা মাল বেরোয় ,আরাম বা সুখানুভূতি হয় না।
উত্তরমুছুনআপনার সোনায় সমস্যা আছে ভাই। কেটে ফেলে দিন।
মুছুনvalo laglo
উত্তরমুছুন